আজকাল ট্রল শব্দটার সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। বিশেষত যারা সোশাল প্লাটফর্মে আছে। ট্রল শব্দটার বাংলা অর্থ গিয়ে দাড়ায় খিল্লি করা কিংবা ব্যঙ্গ করা। ভালো, খারাপ সবকিছু নিয়েই এখন ট্রল হচ্ছে ফেসবুকে। কারণ ফেসবুকেই খুঁজে নিচ্ছে মানুষ সস্তা বিনোদন। বিনোদনের জায়গাটা যদি তিক্ততায় পরিপূর্ণ হতে শুরু করে তবে সেখান থেকে মন্তব্যও উঠে আসে।
লাইফস্টাইল
ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ছে সাইবার বুলিং
সময় যত ধাবিত হচ্ছে তত পাল্টে যাচ্ছে সমাজচিত্র। বেড়ে চলছে প্রযুক্তি নির্ভরতা। এতে উপকারও যেমন হচ্ছে ততটাই হচ্ছে হয়রানি। সেই হয়রানিই রূপ নিচ্ছে সাইবার বুলিং নামক অপরাধে। বুলিং মানে কাউকে অপ্রীতিকর কথা বা বাজে ভাষায় কথা বলা। আর সাইবার বুলিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কারো উপর অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানো। যা প্রযুক্তির ব্যবহারকে অনিরাপদ করে তুলছে।
করোনাকালীন সময়ে আত্মহত্যার হারও বেড়েছে
যেখানে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা নামক মহামারী, আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রাণপনে চাইছে সুস্থ হয়ে ফিরতে, সেখানে নিজ দেশে বেড়ে চলেছে আত্মহত্যা। অর্থাৎ, করোনার পাশাপাশি আনুপাতিক হারে বেড়েছে আত্মহত্যা করার প্রবণতা।
মানসিক অবসাদ, হতাশা কিংবা ডিপ্রেশনকে দূর করুন নিজের প্রচেষ্টাতেই
কে না চায় কিছুটা সুখী জীবনযাপন করতে ! কিন্তু সুখ সে তো আলাদিনের চেরাগের মত, সবার হাতে ধরা দেয় না। ধরা না দিলেও আমরাই পারি নিজেদের হতাশা থেকে দূরে রাখতে।