মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় হলো শিক্ষা গ্রহণ। শিক্ষার আলো মানুষের মনকে আলোকিত করে এবং মানবিক গুণাবলিকে করে বিকশিত। শিক্ষক হলো মা-বাবারও উর্ধ্বে। এটাই আজীবন আমরা জেনে এসেছি। তাই শিক্ষকের ভূমিকাও একজন ছাত্রের জীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলা প্রয়োজন। মহান শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত অনেকেই। কিন্তু সবাই আদর্শ শিক্ষক হতে পারেন না।
শিক্ষা ও জীবন
বাংলা ভাষার ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করার গুরুত্ব
“আমি বাংলায় গান গাই, আমি আমার আমিকে যেনো বাংলায় ফিরে পাই”। এত সুন্দর গানটির মত আমরা কথা বলি বাংলাতে। গান গাই বাংলাতে। এবং লেখালেখিও বাংলাতেই বেশির ভাগ করে থাকি। কারণ বাংলাই আমাদের মাতৃভাষা। জন্মের পর মায়ের মুখে আমরা এই ভাষাই প্রথমে শুনি। এই ভাষায় জন্য কত লড়াই হয়েছে, তা আমাদের মনে রেখেই ভালোবাসতে হবে এই বাংলা ভাষাকে।
শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হোক প্রাথমিক স্কুল থেকেই
একজন মানুষের হাতেখড়ি ঘটে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই। এখান থেকেই একটি শিশু নৈতিকতাবোধ শিক্ষা পেতে শুরু করে। কোনটা ঠিক, কেনটা ভুল বুঝতে পারে। একটি জাতির মেধা-মনন ও সভ্য জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষার ভূমিকাই বেশি। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, উন্নত রাষ্ট্রগুলোর অগ্রগতির পিছনে উন্নত ও যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণই মূল কারণ।
আফ্রিকার দেশ উগান্ডার পরিচিতি ও আদ্যোপান্ত
উগান্ডা শব্দটি শুনলে হয়তো আপনার মাথায় খেলা করে চরম দরিদ্রতায় ভোগা একটি দেশের ছবি৷ অথবা চোখে ভেসে উঠে সাধাসিধে কালো মানুষের চওড়া হাসিমুখ। তবে সত্যটা হচ্ছে আমরা বেশিরভাগ মানুষই এই দেশটি সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য জানিনা। প্রচলিত তথ্যগুলোর বাইরে আসলে কি আছে উগান্ডায়? চলুন জেনে নেওয়া যাক উগান্ডা দেশটির আদ্যোপান্ত!
একটি সার্থক ছোট গল্প লেখার নিয়ম (প্রাথমিক কৌশলসমূহ)
গল্প কে না পছন্দ করে? সাহিত্যের পাতা থেকে শুরু করে অবসরে নানি দাদীদের বলা কল্প-কাহিনী, সবখানেই ছোট গল্পের রয়েছে বিশেষ কদর। আজ এই ছোট গল্প নিয়েই কিছু লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। তাই, এই লেখার আলোচনার বিষয়- “ছোট গল্প লেখার নিয়ম”। ছোট গল্প লেখা নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনার পাশাপাশি এখানে উল্লেখ করা হবে, ছোট গল্প লেখার বিশেষ কিছু টিপস।